কোভিড-১৯ আর রোজায় যেনো নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী না হয়
এইচএম দিদার
রবিবার রাত ১১:৪২, ২১ মার্চ, ২০২১
একদিকে কোভিড–১৯ নতুন রুপে, নতুন করে সারা বিশ্বে হানা দিচ্ছে।
ব্রাজীলসহ অনেকে দেশে করোনার নতুন স্টেইন পাওয়া গেছে, এই করোনা ভাইরাসটি গত বছরের করোনা ভাইরাস থেকে ৭০ গুণ শক্তিশালী!
বাংলাদেশও আবার কোভিড–১৯ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে– এটা একটা উদ্বেগ এর বিষয়। করোনার আক্রমণ ঠেকাতে আবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর জোর দিচ্ছে সরকার। গণসমাবেশ পরিহার, মাস্ক পরিধান, জনসমাগম এলাকা পরিহারসহ ইত্যাদি বিষয়ে আবার অনুসরণ করে চলতে জনগণকে বলা হচ্ছে। হঠাৎ করে করোনার সংক্রমণ বাড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি করোনার টিকা নেওয়ার বিষয়েও এখন জনসাধারণ উদগ্রীব।
এর মাjঝে মুসলিম গোটা দুনিয়ার উম্মার জন্য রহমত,বরকত ও নাযাতের মাস মাহে রমাদান আসছে। দুয়ারে কড়া নাড়ছে মাহে রমজান। আগামি এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখ হতে পারে প্রথম রোজা। আমাদের দেশে রোজা একদিকে যেমন আনন্দের বিষয় আরেক দিকে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য খুব চিন্তার বিষয়। কারণ রোজার মাস আসার সাথে সাথেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের মাথায় নতুন ধান্দার চিন্তা জেকে বসে। তারা গড়ে তোলে সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটে সকল ব্যবসায়ীরা বাজারে ভোগ্য পণ্যের এক ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। ফলে লাফ দিয়ে বেড়ে যায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম– যেমন:চাল–ডাল পেঁয়াজ,রসুন,আদা,সয়াবিন তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পণ্যের দাম হয়ে যায় আকাশচুম্বী। ফলে সাধারণ মানুষের আয় বা পকেটের টাকায় বাজার করা নাগালের বাইরে চলে যায়।
তখন ক্রয়ক্ষমতা থাকে না– মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যেদের।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাসীনদের উচিত তাদের খুঁজে বের করা,যাদের যোগসাজশ ও কারাসাজিতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়।
এসব চক্রান্তকারী মূল হোতাদের বের করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা অতিব জরুরজ
এদিকে করোনা অন্যদিকে রোজা। এ দু‘য়ের সুযোগ যাতে কোনো সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ী কাজে লাগাতে না পারে, সেদিকে সরকারসহ, স্থানীয় প্রশাসনকে সজাগ থেকে বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার বিষয়টি গুরত্ব দিতে হবে।
প্রয়োজনে প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করা যেতে পারে। এতে করে কিছুটা হলেও মানুষ অন্ততপক্ষে বাজার সদাই করে দু‘বেলা খেয়ে বাঁচতে পারবে।


