তিতাস–হোমনাবাসির রায় মাথা পেতে নেবো: ইঞ্জি. মতিন খান
স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার রাত ০৮:৩৩, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
কুমিল্লা-২ (তিতাস ও হোমনা) আসনে রাজনীতির ময়দানে এক অনন্য উচ্চারণ—জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, জনগণের রায়ই শেষ কথা। এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার মতিন খান। তিতাস-হোমনাবাসীর যেকোনো সিদ্ধান্ত তিনি মাথা পেতে গ্রহণ করবেন—এমন দৃঢ় প্রত্যয়ে আবারও মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি এসে দাঁড়ালেন তিনি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে তিতাস ও হোমনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে সাবেক সচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খান বলেন,”
আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়। তিতাস-হোমনাবাসী যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই আমার কাছে চূড়ান্ত। জনগণের রায়ের ঊর্ধ্বে আমার কোনো ইচ্ছা নেই।”
তার কণ্ঠে ছিল মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার দৃঢ়তা, চোখে ছিল স্বপ্নের দীপ্তি। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মতামতের প্রতি তিনি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল। জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি রাজনীতির পথচলা অব্যাহত রাখতে চান।
ইঞ্জি. মতিন খান আরও বলেন, তিতাস-হোমনার সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই মানুষের আস্থা ফেরানো সম্ভব—এমন প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন,
জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং তাদের সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য দেওয়ার এই রাজনীতি তিতাস-হোমনার রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-২ আসনে দিন দিন জনগণের মন ও মননের গভীরে জায়গা করে নিচ্ছেন ইঞ্জি. মতিন খান। স্থানীয়দের মতে, তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও জনবান্ধব রাজনীতি তাকে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছে দেবে।
জনতার কণ্ঠে এখন একটাই কথা—
“জনগণের মানুষ, জনগণের প্রার্থী—ইঞ্জি. মতিন খান।”


