ইরানের ‘তেলের লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
আরিফুল ইসলাম
শনিবার দুপুর ০২:৪৯, ১৪ মার্চ, ২০২৬
হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হামলায় সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হলেও দ্বীপটির তেল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।
শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন হামলার সময় খারগ দ্বীপে অন্তত ১৫টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল দ্বীপটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি নৌঘাঁটি, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার এবং একটি হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গার।
ফারস নিউজ জানিয়েছে, এসব সামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হলেও তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি হয়নি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেছিলেন, খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে এবং খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে তিনি বলেন, এখনো দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেননি। কিন্তু ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
প্রায় পাঁচ মাইল দীর্ঘ খারগ দ্বীপটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত। ইরানের রফতানিযোগ্য অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। এজন্য একে দেশটির ‘তেলের লাইফলাইন’ বলা হয়।


