পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারী ও হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় একমত ইইউ
মেঘনা নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ০৬:০৯, ১২ মে, ২০২৬
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী এবং হামাস-এর শীর্ষ নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিল। এতদিন ভিক্টর অরবান-এর বিরোধিতার কারণে বিষয়টি আটকে ছিল। তবে হাঙ্গেরিতে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী পিটার মাজিয়ার দায়িত্ব নেওয়ায় সেই জটিলতা অনেকটাই দূর হয়েছে।
ইইউ তিনজন ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী এবং বসতি স্থাপনকারী চারটি সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ঐকমত্যের পর ইইউর পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘অচলাবস্থা কাটিয়ে (নিষেধাজ্ঞা) বাস্তবায়নের এটাই উপযুক্ত সময়।’
এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জ্যঁ-নোয়েল বারো। তিনি বলেন, ‘পশ্চিম তীরে চরমপন্থা ও সহিংস উপনিবেশ স্থাপন প্রক্রিয়ায় সমর্থনকারী প্রধান ইসরাইলি সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে ইইউ।’
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘অত্যন্ত গুরুতর ও অসহনীয় এসব কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’
তবে ইইউর এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছে ইসরাইল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার দাবি করেন, ‘ইইউ কোনোরকমের ভিত্তি ছাড়াই শুধু রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে খেয়ালখুশি মতো এবং রাজনৈতিকভাবে ইসরায়েলি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।’
এদিকে ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির ইইউকে ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করেছেন।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো জানান, হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপে ইইউর নেতারা একমত হয়েছেন।


