ঢাকা (সকাল ৬:৪১) রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শুভেচ্ছা বার্তা :
মেঘনা নিউজ-এর এক যুগে পদার্পণ উপলক্ষ্যে সকল পাঠক-দর্শক, প্রতিনিধি, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহযোগী, কলাকৌশলীসহ দেশ ও প্রবাসের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
শিরোনাম

দূষণের দিক থেকে এগিয়ে এলিফ্যান্ট রোড,কম তাজমহল রোডে

অন্যান্য ২৫২৩ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট ডেক্স রিপোর্ট Clock রবিবার ১২:০৩, ২১ মার্চ, ২০২১

২০২০ সালে ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে বায়ুদূষণ বেড়েছে ৮৩ শতাংশ। ২০১৯ সালে এই এলাকার বায়ুর মান ছিল ২৫০ মাইক্রোগ্রাম। আর গত বছর সেই মান পৌঁছেছিল ৪৫৮ মাইক্রোগ্রামে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এই এলাকায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন। তারপর সেই ময়লা অন্য স্থানে নিয়ে যান। সে কারণে এখানকার বায়ুদূষণ বেড়েছে।

অন্যদিকে তুলনামূলক কম দূষিত এলাকা হলো মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড। এখানে বায়ুর মান ২১৯ মাইক্রোগ্রাম। এই এলাকা আবাসিক হওয়ায়, কোলাহল কম হওয়ায় বায়ুদূষণও খানিকটা কম।

এমন তথ্য উঠে এসেছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ণ কেন্দ্রের (ক্যাপস) এক গবেষণায়। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪ ধাপে ঢাকার ৭০টি স্থানের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করে গবেষক দলটি। আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষক দলের প্রধান ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের বেশির ভাগ ধুলা রাস্তার ওপর থেকে সৃষ্টি। এই ধুলার উৎস হলো যানবাহন, রাস্তার খোঁড়াখুঁড়ি ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী। এলিফ্যান্ট রোড ছাড়া নিউ মার্কেট, তেঁজগাও ও আবদুল্লাহপুরে বায়ুদূষণ বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, তেজগাঁওয়ে ভূমির রূপ পরিবর্তন হচ্ছে এবং প্রচুর নির্মাণকাজ চলছে। এ ছাড়া আবদুল্লাহপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলায় দূষণ বেড়েছে।

এমন তথ্য উঠে এসেছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ণ কেন্দ্রের (ক্যাপস) এক গবেষণায়। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪ ধাপে ঢাকার ৭০টি স্থানের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করে গবেষক দলটি। আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষক দলের প্রধান ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের বেশির ভাগ ধুলা রাস্তার ওপর থেকে সৃষ্টি। এই ধুলার উৎস হলো যানবাহন, রাস্তার খোঁড়াখুঁড়ি ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী। এলিফ্যান্ট রোড ছাড়া নিউ মার্কেট, তেঁজগাও ও আবদুল্লাহপুরে বায়ুদূষণ বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, তেজগাঁওয়ে ভূমির রূপ পরিবর্তন হচ্ছে এবং প্রচুর নির্মাণকাজ চলছে। এ ছাড়া আবদুল্লাহপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলায় দূষণ বেড়েছে।

গবেষণায় বলা হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের সামনে, গাবতলী বাসস্ট্যান্ড ও পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে বায়ুদূষণ কমেছে। সচিবালয় এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়ায় সেখানে বায়ুদূষণ কমেছে। এ ছাড়া গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা আসায় এবং নির্মাণকাজ কমে যাওয়ায় বায়ুদূষণ কমেছে।

গবেষণায় বলা হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের সামনে, গাবতলী বাসস্ট্যান্ড ও পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে বায়ুদূষণ কমেছে। সচিবালয় এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়ায় সেখানে বায়ুদূষণ কমেছে। এ ছাড়া গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা আসায় এবং নির্মাণকাজ কমে যাওয়ায় বায়ুদূষণ কমেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও বাপার যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হাবীব বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরির্বতন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি নির্মল বায়ু আইন-২০১৯ চূড়ান্ত করেছে। কিন্তু সেই আইনটি এখনো পাস হয়নি। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, কোন মহলের কারণে এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে?

সভাপতির বক্তব্যে স্টার্মফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মুহাম্মদ আলী বলেন, পরিবেশদূষণ রোধে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ, বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস বক্তব্য দেন।




শেয়ার করুন


পাঠকের মতামত

মেঘনা নিউজ-এ যোগ দিন

Meghna Roktoseba




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর



© মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by ShasTech-IT