ঢাকা (রাত ৪:৩১) মঙ্গলবার, ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শুভেচ্ছা বার্তা :
মেঘনা নিউজ-এর এক যুগে পদার্পণ উপলক্ষ্যে সকল পাঠক-দর্শক, প্রতিনিধি, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহযোগী, কলাকৌশলীসহ দেশ ও প্রবাসের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
শিরোনাম

বানভাসি বিধবা মায়ের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর তৈরির মাধ্যমে ৬০০ ঘরের কাজ শুরু করবেন সুমন

মোঃইবাদুর রহমান জাকির মোঃইবাদুর রহমান জাকির Clock শনিবার রাত ০২:৪৭, ১৬ জুলাই, ২০২২

দেশের পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬০০ পরিবারকে ঘর বানিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সমাজসেবক ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

তারই আলোকে শুক্রবার (১৫ জুলাই) বিকেলে সিলেটের ধীরাই উপজেলার তারল ইউনিয়নের এক বানভাসি বিধবা মায়ের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর তৈরি করে দিয়ে, ছয়শো পরিবারকে ঘর তৈরি করে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে চান ব্যারিস্টার সুমন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমরা প্রথমেই একজন বিধবা মাকে ঘর বানিয়ে দেবো। বিধবা মাকে ঘর বানিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পুর্নবাসন কার্যক্রম শুরু করতে চাই। আপনারা দেখছেন-এ বিধবা মায়ের ঘরের অবস্থা;(ক্যামেরায় ঘুরিয়ে বিধবা মায়ের ঘর দেখান)। আপনারা যারা বেশি কষ্টে আছেন, তাদের জন্য খরচ করতে চাই। এটা দিয়ে ভালোবাসার কার্যক্রম শুরু করছি। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত ঘরটি ঘুরে দেখেন তিনি।

তিনি বলেন, বেড়ি বাঁধের কাছে এ ঘরটি দুই বছর আগে বানানো হয়েছিল। তখন বিধবা মাকে ডেকে এনে তার পরিস্থিতি এবং সন্তানের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। তখন ওই বিধবা মা বলেন ঘরে চার হাত পানি হয়েছিল, এখন তিনি অন্যের বাড়িতে থাকেন।

একজন বিধবা মায়ের জন্য যতটা করা সম্ভব, আপনাদের কষ্টের অর্জিত টাকা থেকে সেটা করবো। আপনারা যে বিশ্বাসে আমাকে টাকা দিয়েছেন, সেই বিশ্বাস থেকেই বাড়ি তৈরি বাস্তবায়নের কাজ করতে চাই। আরও কত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানি না। সব বাড়িতে পৌঁছতে পারবো কি না, তাও জানি না।

এসময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজনের কাছে সুমন জানতে চান বিধবা মায়ের বাড়িটি কতদিনে তৈরি করা সম্ভব? ওই ব্যক্তিকে তিনি উত্তরে জানান-এক সপ্তাহের মধ্যে তৈরি করা সম্ভব। তখন সুমন বলেন, দুনিয়া এবং আখেরাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ হলো মানুষের বাড়ি তৈরি করে দেওয়া।

শুক্রবার (১৫ জুলাই) বিকেলের দিকে নিজের ফেসবুক পেইজে লাইভে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

লাইভের শুরুতে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, আমি এক কোটি ৪০ লাখ টাকা নিয়ে এখানে এসেছি। ২৫ হাজার পরিবারের কাছে শুকনা ও অন্যান্য খাবার পৌঁছাতে পেরেছি। আমার অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩ কোটি টাকা জমা ছিল। এর মধ্যে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরও ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা আছে। তাই অবশিষ্ট এ অনুদান থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬০০ পরিবারকে একটি করে ঘর তৈরি করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। বানভাসি এক বিধবাকে ঘর তৈরি করে দিয়ে এ কার্যক্রমের শুরু করতে চাই।

একই সময় ওই বিধবার সঙ্গে কথাও বলেন ব্যারিস্টার সুমন। সেই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন আগামী সাতদিনের মধ্যে তাকে ঘরটি তৈরি করে দেবেন। এছাড়া বাকি ঘরগুলোও পর্যায়ক্রমে করবেন বলেও ঘোষণা দেন।

লাইভে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় যারা তার কাছে অর্থ পাঠিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ব্যারিস্টার সুমন। একই সঙ্গে সবার টাকা যেন সঠিকভাবে খরচ হয়, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করেন সুমন। আর তার টিমের জন্যে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।




শেয়ার করুন


পাঠকের মতামত

মেঘনা নিউজ-এ যোগ দিন

Meghna Roktoseba




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর



© মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by ShasTech-IT