সাদা অ্যাপ্রনের ভেতর মানবতার আলো
অধ্যাপক ডা. একেএম শামসুদ্দীনের পদোন্নতিতে ফুলে ফুলে শুভেচ্ছা
স্টাফ রিপোর্টার
শুক্রবার সন্ধ্যা ০৭:৫৫, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
কখনো কান্নার শব্দে ভেজা শিশু ওয়ার্ড, কখনো আশ্বাসে ভর করে ওঠা মায়ের মুখ—এই প্রতিদিনের যুদ্ধক্ষেত্রেই গড়ে ওঠে একজন চিকিৎসকের জীবন। সেই পথচলারই এক গৌরবোজ্জ্বল স্বীকৃতি পেলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. একেএম শামসুদ্দীন। সহযোগী অধ্যাপক থেকে তিনি পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন অধ্যাপক; একই সঙ্গে দায়িত্ব পেয়েছেন শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে।
সংবাদটি ছড়িয়ে পড়তেই চিকিৎসা অঙ্গনে আনন্দের ঢেউ ওঠে। শুক্রবার বিকেলে নিয়মিত চেম্বারে দাউদকান্দি ফ্যামিলি হাসপাতালে পৌঁছালে, সেখানে অপেক্ষায় ছিল শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। ফুলের তোড়া হাতে হাসাপাতালের ডাক্তার জহিরুল কাদির ভূৃঁইয়া, ডাক্তার প্রমদ কুমার সাহা এবং পরিচালক আবুল কালাম কালা মিয়া, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন জানিয়ে দিলেন—এ পদোন্নতি কেবল একটি পদ নয়, এটি বিশ্বাসের স্বীকৃতি।
নীরব অথচ দৃঢ় এই মানুষটি বছরের পর বছর শিশুর জীবনের সূচনালগ্নকে আগলে রেখেছেন। সাদা অ্যাপ্রনের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ক্লান্তি তিনি কখনো প্রকাশ করেননি। বরং প্রতিটি শিশুর চোখে সুস্থ জীবনের স্বপ্ন এঁকে দিয়েছেন নিঃশব্দে। জ্বেলেছেন সাদা এ্যাপ্রন দিয়ে মানবতার আলো।
ডা. একেএম শামসুদ্দীন বলেন,
“এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। শিশুদের জীবন মানেই একটি জাতির ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করাই আমার ব্রত।”
তিনি আরও বলেন…
ঢাকা মেডিকেলের মতো ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মাঝেও গ্রামাঞ্চলের মানুষকে সময় দেওয়াই তাঁর মানবিকতার প্রমাণ। দাউদকান্দির মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন—চিকিৎসা কেবল শহরের অধিকার নয়, এটি সবার।
ফুলের গন্ধ মিলিয়ে যাবে, অনুষ্ঠান শেষ হবে; কিন্তু একজন অধ্যাপকের হাতে ভর করে বাঁচার স্বপ্ন নিয়ে ঘরে ফিরবে আরও অনেক শিশু। সেখানেই লেখা হবে এই কাব্যের আসল পংক্তি—মানবতার জয়গান।


