ঢাকা (বিকাল ৩:৩৫) বুধবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৪ ইং
শিরোনাম
Meghna News রক্ষকের বেশে এক ব্যাংক ম্যানেজার যখন ভক্ষক! Meghna News বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত Meghna News নববর্ষ উদযাপনে কুমিল্লা-১ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর Meghna News ঈদ উপহার হিসেবে শিশুদের বই দিলো “সাংবাদিক শরীফ প্রধান পাঠাগার” Meghna News কাতার প্রবাসী ঐক্য পরিষদ সুনামগঞ্জ এর কমিটি গঠিত Meghna News দাউদকান্দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ড.মারুফের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় Meghna News দাউদকান্দিতে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবা থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার Meghna News টিম গ্রুপের কর্পোরেট অফিসার আসিফকে ‘সম্মাননা স্মারক’ প্রদান Meghna News শরীফ প্রধান পাঠাগারে কবি মোহাম্মদ দিদারের বই উপহার Meghna News দাউদকান্দিবাসীর সঙ্গে এমপি আব্দুস সবুরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

লাভে থেকেও বিদ্যুতের খুচরা দাম ২৩% বাড়ানোর আবদার বিতরণ কোম্পানিগুলোর

Power

<script>” title=”<script>


<script>

সংসার খরচের অঙ্ক যখন কোনোভাবেই মিলছে না, তখন ফের আসছে দুঃসংবাদ। বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নতুন বছর থেকেই টানতে হতে পারে বাড়তি খরচের বোঝা। এরই মধ্যে বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে ২০ থেকে ২৩ শতাংশ বাড়ানোর আবদার করেছে পাঁচ বিতরণ কোম্পানি। এই প্রস্তাবের ওপর এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজনে আগামী ৮ জানুয়ারি রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে গণশুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সেদিন শুনানি শেষ না হলে চলবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ২০০৭ থেকে ‘২০ সাল পর্যন্ত খুচরা বিদ্যুতের দাম বেড়েছিল ১০৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সর্বশেষ খুচরা দাম বাড়ানো হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় বাড়ানো হয় ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এর আগে গত ২১ নভেম্বর পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩ পয়সা বাড়ায় বিইআরসি। এর পরই খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করল বিতরণ কোম্পানিগুলো।

গতকাল সোমবার বিইআরসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বিদ্যুতের খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণের আবেদন করেছে।

জানতে চাইলে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুতের কোম্পানিগুলোর দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ হলে খরচ কমে আসবে। তখন দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তা না করে গ্রাহকের পকেট কাটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই দুঃসময়ে বাজারে গ্রাহকের ওপর আর বোঝা না চাপানোর দাবি জানান তিনি।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, পিডিবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৯ টাকা ৩ পয়সা করার আবেদন করেছে। না হলে এই অর্থবছরে ২ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা লোকসান হবে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি ডিমান্ড চার্জ ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ শতাংশ বাড়ানোর আবেদন করেছে।

আরইবি ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এতে প্রতি ইউনিটে দাম বাড়বে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। দাম না বাড়লে এই অর্থবছরে এক হাজার ৩৪১ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে সংস্থাটি দাবি করেছে। পল্লি এলাকার জনগণের বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে বাণিজ্যিক গ্রাহক করার আবেদন করেছে। এ ছাড়া ইটভাটা ও দুগ্ধ শীতলকরণ যন্ত্রকে শিল্প গ্রাহকের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ঢাকা শহরে বিদ্যুৎ বিতণের দায়িত্বে থাকা ডিপিডিসি ২০ শতাংশ দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে। দাম না বাড়ালে আগামী বছরের প্রথম ছয় মাসে এক হাজার ১০৯ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা লোকসান হবে বলে ডিপিডিসি দাবি করেছে। ডিপিডিসি প্রিপেইড গ্রাহকদের রিবেট সুবিধা প্রত্যাহার, প্রিপেইড গ্রাহকদের নিরাপত্তা জামানত যুক্ত করা, বস্তির গ্রাহকদের জন্য নির্দিষ্ট হার নির্ধারণ এবং সড়কবাতির বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।

রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা অন্য কোম্পানি ডেসকো ২০ দশমিক ২৩ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। দাম না বাড়ালে আগামী বছরের প্রথম ছয় মাসে ৯৫৬ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা লোকসান হবে বলে কোম্পানিটি দাবি করেছে। পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা ওজোপাডিকো ২৩ দশমিক ২৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে। দাম বাড়ানো না হলে এই অর্থবছরে কোম্পানিটির ৫৬৬ কোটি টাকা লোকসান হবে বলে জানিয়েছে।

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণকারী নেসকো খুচরা দাম ৭ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩২ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে। দাম না বাড়ালে এই অর্থবছরে ৫৩৫ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে নেসকো জানিয়েছে।

বিতরণ কোম্পানিগুলো লাভে : তথ্য বলছে, বিতরণ কোম্পানিগুলো লাভে রয়েছে। ডিপিডিসির ২০২০-২১ অর্থবছরে ১০৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে লাভ করেছে ১৬৬ কোটি টাকা। ডেসকো ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭৩ কোটি টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরের মুনাফা করেছে ৬৬ কোটি টাকা। আরইবি ৮০টি সমিতির ২০২০-২১ অর্থবছরের নিট লাভ ২০ কোটি টাকা, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে হয় ১০৬ কোটি টাকা। ওজোপাডিকোর ২০২০-২১ অর্থবছরের নিট লাভ ২৪ কোটি টাকা। কোম্পানিটি ২০২১-২২ অর্থবছরে লোকসান গুনেছে সাত কোটি টাকা। নেসকোর ২০২০-২১ অর্থবছরের লাভ প্রায় ১৮ কোটি টাকা, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে ৩১ কোটি টাকা।

সমকাল অনলাইন হতে সংগৃহীত

শেয়ার করুন

GloboTroop Icon
পাঠকের মতামত

Meghna Roktoseba




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর




© মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by ShafTech-IT