রবিবার , ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম :
হাতিয়া ইউনিয়নকে প্রাথমিক পর্যায়ে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা ঠাকুরগাঁওয়ে হোমিও প্যাথির এক ভূয়া চিকিৎসককে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা বগুড়ার আদমদীঘিতে মুখে মাস্ক না পড়ায় ৫ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারে আর্থিক অনুদান প্রদান উলিপুরে ট্রাক,ট্যাংকলড়ী,কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক্টর,শ্রমিক ইউনিয়নের উপ কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত গৌরীপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধে গৃহবধূ খুন চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনব্যাপী ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির উদ্বোধন মৌলভীবাজারে লেখক ফোরামের উদ্দোগে মাস্ক বিতরন অনুষ্ঠিত ওসমানী হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা বন্ধ বিদেশযাত্রীরা বিপাকে

নওগাঁর রাণীনগরে খেজুর রস সংগ্রহে গাছিদের প্রস্তুতি




ছয় ঋতুর সুজলা সুফলা সবুজে ঘেরা শ্যামল বাংলাদেশে রাতের আকাশে ঘন কুয়াশায় যেন বলে দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। সূর্যাস্ত যাওয়ার আগে হালকা মৃদু বাতাসে খেজুর গাছে চরে গাছিরা রস সংগ্রহের প্রস্তুতির জন্য গাছ পরিস্কারের কাজ শুরু করেছে। আর সপ্তাহ খানিকের মধ্যেই গাছ থেকে রস সংগ্রহের পর্ব শুরু হবে। কিছুটা আগেই নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় প্রান্তিক জনপদের গ্রামে গ্রামে সকালের শিশিরের সাথে শুরু হয়েছে মৃদু শীতের আমেজ।

গ্রাম বাংলার খেজুর গাছ থেকে আর মাত্র কয়েক দিন পর রস সংগ্রহ করে রস থেকে লালি ও গুড় তৈরির পর্ব শুরু হয়ে চলবে প্রায় মাঘের শেষ পর্যন্ত। খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের প্রস্তুতি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ দৃশ্য চোখে পড়তে শুরু করেছে। রস ও গুড়ের জন্য রাণীনগর উপজেলার এক সময় খ্যাতি থাকলেও সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খেঁজুরের রসের গুড়। এক সময় অধিকাংশ বাড়িতে, ক্ষেতের আইলে, ঝোপ-ঝারে পুকুর পাড়ে ও রাস্তার দুই ধার দিয়ে ছিল অসংখ্য খেজুর গাছ। কোন পরিচর্চা ছাড়াই অনেকটা প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে উঠতো এই সব খেঁজুর গাছ। প্রতিটি পরিবারের চাহিদা পূরন করে অতিরিক্ত রস দিয়ে তৈরি করা হতো সুস্বাদু খেজুরের গুড়। ইট ভাটার রাহুগ্রাসে জ্বালানি হিসেবে খেজুর গাছের ব্যবহার ব্যবহার বেশি হওয়ার কারণে যে পরিমাণ গাছ চোখে পড়ে তা নির্বিচারে নিধন করায় দিনদিন খেজুর গাছ কমেই যাচ্ছে।

উপজেলার নান্দাইবাড়ি গ্রামের আব্দুল মালেক জানান, আমি প্রতিবছরই এই মৌসুমে এলাকার খেজুর গাছ মালিকদের কাছ থেকে ৪ মাসের জন্য গাছ ভেদে ৩ থেকে ৪ কেজি করে খেজুরের গুড় দিয়ে গাছ গুলো আমি নেই। চাহিদা মত খেজুর গাছ না পাওয়ার কারণে রস কম হওয়ায় আশানুরুপ গুড় তৈরি করতে পাড়ি না। যার কারণে তেমন পোষায় না। তারপরও এবছর প্রায় ৮০ টির বেশি খেঁজুর গাছের মালিকদের সাথে চুক্তি করেছি। তবে যে ভাবে খেজুর গাছ কাটা হচ্ছে অল্প দিনের মধ্যেই এই এলাকায় আর আমাদের ব্যবসা হবে না। বর্তমান বাজারে আখের গুড় চিনি যে মূল্যে বেচাকেনা হচ্ছে তার চেয়ে মানসম্পূর্ন খেজুরের গুড়ের দাম এবছর কিছুটা বেশি হবে বলে আশা করছি। শীত একটু বেশি পড়তে শুরু করলে আত্মীয়-স্বজন আনা-নেওয়া ও পিঠা-পুলির উৎসবে খেজুর গুড়ের দাম ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সে সময় আমাদের লাভ একটু বেশি হয়। যে পরিমাণে শ্রম দিতে হয় সে পরিমাণে আমরা লাভ করতে পারি না। তবুও পেশাগত কারণে চালিয়ে যাচ্ছি এই ব্যবসা।

 

 

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত




ই-মেইলে সর্বশেষ সংবাদ

বিনামূল্যে সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ই-মেইলে পেতে আজই সাবস্ক্রাইব করুন!

তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।
আমাদের গোপনীয়তার নীতি




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর




করোনা তথ্য
দেশে আক্রান্ত
১,৯৯,৩৫৭
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
দেশে সুস্থ
১,০৮,৭২৫
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
দেশে মৃত্যু
২,৫৪৭
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
বিশ্বে মৃত্যু
৫,৯৩,০৭২
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
বিশ্বে আক্রান্ত
১,৩৯,২১,৬৯৯
Developed By Ariful
©মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত