শনিবার , ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা একটি স্বাধীন ভূখন্ড ও স্বাধীনতার পতাকা পেয়েছি -ডেপুটি স্পীকার ভোলায় ট্রলির ধাক্কায় মোটরসাইকেলের আরোহী নিহত সিলেট জোনের তরবিয়তী মজলিস দাওয়াতী কাজে ব্যাপকভাবে ঝাপিয়ে পড়তে হবে -মজদুদ্দীন আহমদ ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী(কাঁঠালবাড়ী)ফেরী ঘাট পদ্মা সেতুর নদী শাসনের জন্য স্থানান্তর,ফেরি,লঞ্চ ও স্পীডবোটসহ সকল নৌযান চলাছে বাংলাবাজার ঘাটদিয়ে বেতন গ্রেড উন্নতির দাবীতে কর্মবিরতি,শিবচরে এক সপ্তাহ ধরে টিকাদানসহ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ,ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক আর নেই গৌরীপুরে আজানরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের মৃত্যু উলিপুর মুক্ত দিবস আজ করোনা আক্রান্ত সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আগামীর নতুন দিনে, স্বপ্নের নতুন পৌরসভা গড়তে চাই:-মেয়র সেইন

হযরত তালহা (রাঃ) কথা শুনে আল্লাহর রাসুল(সা.) দরদর করে কেঁদে ফেলেন




হযরত তালহা (রাঃ) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান। অথচ নবীজী (সাঃ) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন।

অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌছালো। নবীজী সাহাবিদের বললেন, আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন, তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি? আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি? একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ)! আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সাঃ) বললেন, তাহলে তালহা! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন?

তালহা কেদে কেঁদে বললেন, রাসুল (সাঃ)! আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলংগ থাকেন। স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলংগ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সাঃ)। ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কেঁদে ফেলেন। নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন, তালহারে! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে। আল্লাহু আকবার।

(কাহিনী টি মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে)

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত




ই-মেইলে সর্বশেষ সংবাদ

বিনামূল্যে সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ই-মেইলে পেতে আজই সাবস্ক্রাইব করুন!

তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।
আমাদের গোপনীয়তার নীতি




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর




করোনা তথ্য
দেশে আক্রান্ত
১,৯৯,৩৫৭
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
দেশে সুস্থ
১,০৮,৭২৫
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
দেশে মৃত্যু
২,৫৪৭
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
বিশ্বে মৃত্যু
৫,৯৩,০৭২
Developed By Ariful
করোনা তথ্য
বিশ্বে আক্রান্ত
১,৩৯,২১,৬৯৯
Developed By Ariful
©মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত