বৃহস্পতিবার , ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম :
গৌরীপুরে সাংবাদিক শামীম খানের ৪১তম জন্মদিন পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে মাদক উদ্ধার,বাইক জব্দ,আটক ৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি নৌকা প্রতীক পাওয়ার বিষয়ে শতোভাগ আশাবাদীঃসোহেল রানা চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে ইয়াবা উদ্ধার ইবি শেখ রাসেল হলের কমিটি ঘোষণা  চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপনে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ধর্মপাশায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত তরিকত ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন ধর্মপাশায় নদীর পানিতে পড়ে গিয়ে সাতবছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কোম্পানীগঞ্জ তেলিখাল ইউপি স্বামী ও স্ত্রী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা চাঁপাইনবাবগঞ্জে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের যোগ সাজশে সরকারি গাছ বিক্রয়

বজ্রপাতে ১১ বছরে দেশে নিহত ২ হাজার ৮০০ জন




বজ্রপাতে এ বছর এখন পর্যন্ত ৩২৯ জন মারা গেছেন বলে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত ১১ বছরে বজ্রপাতে ২ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,“সরকার প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক ঘটনা থেকে মানুষকে বাঁচাতে এবং মৃত্যু হার কমাতে ৪৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা করছে।”

প্রকল্পের অধীনে,সরকার এমন একটি ডিভাইস কিনবে যা বজ্রপাতের ৪০ মিনিট আগে একটি সতর্কতা দেবে।

এছাড়া,বজ্রপাতের সময় প্রাণহানি এড়াতে আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে এনামুর রহমান জানান।

তিনি বলেন,“বাংলাদেশ বর্তমানে ১৬টি দুর্যোগে ভুগছে। ২০১৫ সালে দুর্যোগের তালিকায় বজ্রপাতকে সংযোজন করা হয়েছে।”

“কিছু আধুনিক দেশে, বজ্রপাতের জন্য প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা রয়েছে। এটি সাইক্লোন সতর্কতার মতোই একটি ডিভাইস রয়েছে যা ৪০ মিনিট আগে বজ্রপাতের সর্তকতা এবং বজ্রপাতটি কোথায় ঘটবে তাও শনাক্ত করতে পারে। আমরা সারা দেশে এ ধরনের ডিভাইস স্থাপন করবো”বলেন তিনি।

কর্তৃপক্ষ বজ্রপাতপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আমার মন্ত্রণালয় এমন একটি সিস্টেমে কাজ শুরু করবে যাতে স্থানীয়রা মোবাইলের মাধ্যমে সতর্কতা বার্তা পায়।

সরকার বজ্রপাত বা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতি এক দশমিক জমিতে একটি পাকা ঘর থাকবে এবং প্রতিটি বাড়িতে বজ্রপাত প্রতিরোধী ব্যবস্থা (লাইটনিং অ্যারেস্টার) থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “সম্ভাব্যতা প্রতিবেদনটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। তিনি সম্মতি দিলে কাজ শুরু করা হবে।”

২০১১ সালে ১৭৯ জন, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ২২৬ জন, ২০১৬ সালে ৩৯১ জন, ২০১৭ সালে ৩০৭ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৫৫ জন বজ্রপাতে মারা গেছেন। এ বছর এখন পর্যন্ত ৩২৯ জন মারা গেছেন বলে জানান এনামুর রহমান।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত




ই-মেইলে সর্বশেষ সংবাদ

বিনামূল্যে সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ই-মেইলে পেতে আজই সাবস্ক্রাইব করুন!

তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।
আমাদের গোপনীয়তার নীতি




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর




করোনা তথ্য
দেশে আক্রান্ত
১৫,৬৪,৪৮৫
১৪ অক্টোবর, ২০২১
করোনা তথ্য
দেশে সুস্থ
১৫,২৬,৩৬৮
অক্টোবর ১৪, ২০২১
করোনা তথ্য
দেশে মৃত্যু
২৭,৭৩৭
অক্টোবর ১৪, ২০২১
করোনা তথ্য
বিশ্বে মৃত্যু
৪৮,৯১,৯৪১
অক্টোবর ১৪, ২০২১
করোনা তথ্য
বিশ্বে আক্রান্ত
২৪,০০,৬১,৩২৭
অক্টোবর ১৪, ২০২১
©মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত