বুধবার , ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম :
দৈনিক গণমুক্তির ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উলিপুরে দুই দিনের মেলা একদিনে শেষ মোল্লাপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পেইন চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপনির্বাচনে নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ​গাজীপুরে কেক খেয়ে ২ বোনের মৃত্যু, অসুস্থ আরো ১ গৃহবধূর মৃত্যু : বোন বলছে হত্যাকান্ড, স্বামীর পরিবার বলছে আত্মহত্যা গণঅভ্যূত্থানে শহীদ হারুনকে গৌরীপুরে স্মরণ ভোলায় অবৈধ অটোরিক্সা চাপায় প্রাণ গেলো পথশিশুর অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার : চারদিনেও অজানা পরিচয়, উদঘাটন হয়নি মৃত্যুর রসহ্য হারুন দিবসে প্রতীকী ভাষ্কর্য্য নির্মাণের দাবী ছাত্র ইউনিয়নের
মোট আক্রান্ত

২০,৩৫,৯৯২

সুস্থ

১৯,৮৩,১৩২

মৃত্যু

২৯,৪২৬

১২ নভেম্বর, ২০২২ | ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর

ওএমএসের চাল-আটা কিনতে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন

ওএমএসের চাল-আটা কিনতে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন
সকাল ৭ টা ১০ মিনিটে লাইন দিয়ে ওএমএসের ট্রাকের জন্য অপেক্ষায় নারীরা। অনেকে এসেছেন আরো ভোরে। গাড়ি আসবে ১১টার পর। আবার না-ও আসতে পারে। কিন্তু প্রতীক্ষার বিরতি নেই তাদের। ছবিটি গতকাল পোস্তগোলা চীন মৈত্রী সেতুর সামনে থেকে তোলা : নাসিম সিকদার

<script>” title=”<script>


<script>

খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির (ওএমএস) দোকান চালু হয় সকাল ৯টায়; কিন্তু দিনমজুর আইয়ুব আলী রাজধানীর গোড়ান এলাকা থেকে বাসাবো ওয়াসা রোডের ডিলার ফরিদ উদ্দিনের দোকানের সামনে এসেছেন সকাল ৬টায়।

এ সময় তার সাথে আরো অনেক নারী-পুরুষ দোকানের সামনে জড়ো হয়েছেন; কিন্তু বেলা ১১টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আইয়ুব আলী চাল-আটা কিনতে পারেননি।

একইভাবে রাজারবাগ এলাকা থেকে সকাল ৭টায় এসেছেন সাইফুল ইসলাম। তিনিও চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে চাল-আটা কিনতে পারেননি। সাইফুল ইসলাম বলেন, ওএমএসের দোকানে চাল বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি দরে। একসাথে পাঁচ কেজি কেনা যায়; কিন্তু বাইরে দোকানে এ মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। এখান থেকে চাল নিলে পাঁচ কেজিতে দেড় শ’ টাকা কম লাগে। ওএমএসের দোকানে পাঁচ কেজি চালের সাথে তিন কেজি আটা দেয়া হয়।

আটার কেজি আগে ১৮ টাকা থাকলেও সম্প্রতি কেজিতে ছয় টাকা বেড়ে বর্তমানে ২৪ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তারপরও আটার চাহিদা বেশি; কিন্তু চালের থেকে আটার সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতারা চাহিদা মতো কিনতে পারছেন না। আবুল হাশেম ও আজিম উদ্দিন নামে দু’ক্রেতা বলেন, আগের দিন চাল-আটা কিনতে এসে প্রায় তিন ঘণ্টা বসে থেকেও কিনতে পারিনি।

আজো তিন ঘণ্টার চেয়ে বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি; কিন্তু এখনো কিনতে পারিনি। আবুল হাশেম অভিযোগ করে বলেন, অনেকসময় একই ব্যক্তি পরপর দু’দিন এসে মালামাল কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে এক দিনও পাচ্ছে না। এ সময় ওই দোকানে থাকা ডিলারের প্রতিনিধিরা জানান, চাল-আটা যে পরিমাণ সরবরাহ করা হয় তার থেকে চাহিদা থাকে অনেক বেশি। এ কারণে অনেকেই মাল না পেয়ে ফিরে যান। মালামাল দেয়া যায় দুই শ’ জনের মতো ব্যক্তিকে। কিন্তু মানুষ লাইনে দাঁড়ান তিন শতাধিক। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এভাবে রাজধানীর প্রতিটি ওএমএসের দোকানেই নারী-পুরুষের ভিড় লেগেই থাকে। অনেকে চাল-আটা কিনতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ হন।

হতদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা করার জন্য চাল ও আটা খোলাবাজারে বিক্রির (ওএমএস) কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। কিন্তু বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এখন ওএমএসের লাইন বড় হচ্ছে প্রতিদিন। কম দামে পণ্য কিনতে এখন ওএমএসের লাইনে ভিড় করছেন মধ্যবিত্তরাও।

ওএমএসের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত দামে চাল ও আটা বিক্রি করে খাদ্য অধিদফতর। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও দুই কেজির প্যাকেটজাত আটা ৫৫ টাকা, প্রতি কেজি খোলা আটা ২৪ টাকা। ওএমএসের ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল ও দুই কেজি আটা কিনতে পারেন। এতে ব্যয় হয় ২০৫ টাকা। বাজার থেকে সমপরিমাণ চাল ও আটা কিনতে ৪০০ টাকার মতো লাগে।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

GloboTroop Icon
পাঠকের মতামত

হারানো বিজ্ঞপ্তি

মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের বড় নোয়াগাও গ্রামের মোঃ সোহাগ মিয়া (দাইয়ান) গত ০৬ জানুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ভোর ০৬টা বাজে বাসা থেকে বের হয়ে এখনো ফিরেনি। দুশ্চিন্তাগ্রস্থ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে। যদি কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পান তাহলে অনুগ্রহ পূর্বক নিখোঁজ দাইয়ানের ছোট ভাই মোহাম্মদ ফারুখ-এর সাথে যোগাযোগ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
যোগাযোগের নাম্বার: 
01983505518
01980078055

উল্লেখ্য: মানুষিক অসুস্থতার কারণে স্মৃতিশক্তি অনেকটাই কম।

ই-মেইলে সর্বশেষ সংবাদ

বিনামূল্যে সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ই-মেইলে পেতে আজই সাবস্ক্রাইব করুন!

তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।
আমাদের গোপনীয়তার নীতি




হারানো বিজ্ঞপ্তি

মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের বড় নোয়াগাও গ্রামের মোঃ সোহাগ মিয়া (দাইয়ান) গত ০৬ জানুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ভোর ০৬টা বাজে বাসা থেকে বের হয়ে এখনো ফিরেনি। দুশ্চিন্তাগ্রস্থ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে। যদি কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পান তাহলে অনুগ্রহ পূর্বক নিখোঁজ দাইয়ানের ছোট ভাই মোহাম্মদ ফারুখ-এর সাথে যোগাযোগ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
যোগাযোগের নাম্বার: 
01983505518
01980078055

উল্লেখ্য: মানুষিক অসুস্থতার কারণে স্মৃতিশক্তি অনেকটাই কম।

এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর




করোনা তথ্য
দেশে আক্রান্ত
২০,৩৫,৯৯২
১২ নভেম্বর, ২০২২
করোনা তথ্য
দেশে সুস্থ
১৯,৮৩,১৩২
নভেম্বর ১২, ২০২২
করোনা তথ্য
দেশে মৃত্যু
২৯,৪২৬
নভেম্বর ১২, ২০২২
করোনা তথ্য
বিশ্বে মৃত্যু
৬৫,৮৪,১০৪
নভেম্বর ১২, ২০২২
করোনা তথ্য
বিশ্বে আক্রান্ত
৬৩,০৮,৩২,১৩১
নভেম্বর ১২, ২০২২
©মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত