বিক্ষোভের জেরে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের ক্ষমা করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি-জেনারেল সাজা বাস্তবায়ন বন্ধ করার আদেশ জারি করেছেন
আরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুর ০১:৫৯, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ উপসাগরীয় দেশে তাদের সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংগঠিত করার জন্য কারাগারে বন্দী বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষমা করার আদেশ দিয়েছেন, আজ ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এমিরেটস নিউজ এজেন্সি (ডব্লিউএএম) এ তথ্য জানিয়েছে।
ডব্লিউএএম পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে বলেছিল, কথিত প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য তিন বাংলাদেশী প্রবাসীকে যাবজ্জীবন, অন্য ৫৩ জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
তাদের কারাদণ্ড এখন বাতিল করা হয়েছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএএম।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির নির্দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, দেশটির অ্যাটর্নি-জেনারেল চ্যান্সেলর ডঃ হামাদ আল শামসি সাজা বাস্তবায়ন বন্ধ করার এবং নির্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করার আদেশ জারি করেছেন, প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডব্লিউএএম।
অ্যাটর্নি-জেনারেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের সকল বাসিন্দাকে দেশের আইনকে সম্মান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, জোর দিয়ে বলেছেন যে মতামত প্রকাশের অধিকার রাষ্ট্র এবং এর আইনি কাঠামো দ্বারা সুরক্ষিত।
তিনি আর বলেন, যে রাষ্ট্র মতামত প্রকাশের জন্য আইনানুগ উপায় সরবরাহ করে, এই অধিকারটি নিশ্চিত করে যাতে জাতি এবং এর জনগণের স্বার্থের ক্ষতি হতে পারে এমন কর্মে পরিণত না হয়।
জুলাই মাসে সরকারি চাকরির কোটার বিরুদ্ধে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সময় বাংলাদেশে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি তীব্রতর বিদ্রোহের রূপ নেয়। ফলশ্রুতিতে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং তার বাসভবনে বিক্ষোভকারী দ্বারা ঝড় তোলার আগে ভারতে পালিয়ে যান।