বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে নাঈমা খন্দকারের মনোনয়ন জমা : চলছে সর্বমহলে আলোচনা
হোসাইন মোহাম্মদ দিদার, নিজস্ব সংবাদদাতা (দাউদকান্দি, কুমিল্লা)
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৭:১১, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং দলটির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য নাঈমা খন্দকার। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার (১২ এপ্রিল বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নাঈমা খন্দকার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন-এর জ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ। তার এই মনোনয়ন জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
মনোনয়ন জমার পর তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে নাঈমা খন্দকার সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।
এদিকে দাউদকান্দি-মেঘনাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে তাকে দোয়া ও সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করছেন বলে জানা গেছে।
নিজের বক্তব্যে নাঈমা খন্দকার বলেন,
“আমি এসেছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে। বিশেষ করে বঞ্চিত শিশু, অবহেলিত নারীদের নিয়ে আমি কাজ করতে চাই।এছাড়াও তিনি দলের দুঃসময়ে যেসব ত্যাগী নারী নেত্রী নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত বলে মনে করেন। তিনি আরও বলেন,
আমি দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল এবং সবার দোয়া কামনা করছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ বিএনপির সাংগঠনিক গতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা নির্ভর করবে দলের নীতিনির্ধারকদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।
উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিভিন্ন পর্যায় থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা ও প্রত্যাশা—দুই-ই বাড়িয়ে তুলেছে।
তবে কুমিল্লা থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির হয়ে নাঈমা খন্দকার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। কেউ কেউ আবার নেতিবাচক সমালোচনাও করছেন। সব মিলিয়ে তিনি যদি সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা থেকে সংসদ সদস্য হতে পারেন তবে এই অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া নারীর জাগরণ ও শিশু মাতৃকার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল ও সমাজের সাধারণ মানুষ।


