শনিবার , ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পুর্ব শত্রুতার জেরে অতর্কিত হামলা স্কুল শিক্ষিকাসহ আহত ৪ মৌলভীবাজারে বর্নাঢ্য আয়োজনে এশিয়ান টিভির ৭ম বর্ষপূর্তি পালিত কুড়িগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সঞ্চয় সপ্তাহ পালিত বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরন মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর আইডিয়াল একাডেমির ১২৭ শিক্ষার্থীদের মাঝে অবশেষে পাঠ্যবই বিতরণ নামাজে মনোযোগ আসবে কীভাবে নওগাঁয় চাউল কলের দুষিত পানিতে ফসলের ক্ষতি,কার্লভার্টে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ ফুলবাড়ীর সততা স্বর্ণ শিল্পায়নের নতুন শোরুম উদ্বোধন সাংবাদিক মেহেদী হাসানকে হত্যার হুমকি নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি মৌলভীবাজারে মেঘনা নিউজের ক্যালেন্ডার বিতরণ
কুড়িগ্রামের ফেলানী হত্যার ৯ বছর, ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

কুড়িগ্রামের ফেলানী হত্যার ৯ বছর, ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

সাজাদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:   কুড়িগ্রামের বহুল আলোচিত ফেলানী খাতুন হত্যার ৯ বছর পূর্তি আজ (৭ জানুয়ারি)। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে চলছে তার বিচারিক কার্যক্রম। ২০১১ সালের এই দিনে বিএসএফের গুলিতে হত্যার শিকার ফেলানীর মৃতদেহ কাটাতারে ঝুলে ছিল দীর্ঘ সাড়ে ৪ ঘণ্টা। প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিল গণমাধ্যমসহ বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তীব্র সমালোচনার মুখে পরতে হয় ভারতকে। ফেলানীর পরিবার এখনো বুক বেঁধে আছে ন্যায় বিচারের আশায়।

জানা গেছে, কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে মেয়েকে নিয়ে ভারতে পারি জমিয়েছিল ফেলানী খাতুন ও তার বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। সেখানে কয়েক বছর থাকার পর কিশোরী মেয়েকে নিজ দেশে বিয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিলেন। সেদিন ছিল ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি শুক্রবার। ভোর ৬টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেন বাবা ও মেয়ে। নুরুল হক কাটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে পার হতে পারলেও মেয়ে ফেলানী উঠতেই ভারতীয় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ গুলি চালালে কাটাতারেই ঢলে পরে ফেলানীর নিথর দেহ। সেখানে সাড়ে ৪ ঘণ্টা ঝুলে থাকার পর তার লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ৩০ ঘণ্টা পর পরদিন শনিবার বিজিবির কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। দীর্ঘ ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও আজ ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার সম্পন্ন হয়নি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি শুনানীর দিন ধার্য করা হলেও তা বারবার পিছিয়ে দেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার না হওয়ায় পরিবারসহ হতাশ স্বজনরাও। ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ভারতীয় মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) ফেলানী খাতুন হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেশের সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করে। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর শুনানীর পর ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে বারবার তারিখ পিছিয়ে যায়। ফলে থমকে গেছে ফেলানী খাতুন হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি। ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু ও মা জাহানারা বেগম জানান, ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচারিক কার্যক্রম ঝুলে থাকায় আমরা হতাশ। আমরা ন্যায় বিচারের জন্য দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অপেক্ষা করছি। এদিকে ফেলানী হত্যার বিচার কার্যক্রম নিয়ে কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের রিট এ বছর তালিকাভুক্ত না হওয়ায় কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে বিচারিক কাজ। দ্রুত ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় হলে উভয় দেশের সীমান্তের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে বলে মনে করেন তিনি।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর

©মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by Ateam IT Solution