ঢাকা (রাত ৯:৩৫) বৃহস্পতিবার, ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শুভেচ্ছা বার্তা :
মেঘনা নিউজ-এর এক যুগে পদার্পণ উপলক্ষ্যে সকল পাঠক-দর্শক, প্রতিনিধি, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহযোগী, কলাকৌশলীসহ দেশ ও প্রবাসের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
শিরোনাম

দাউদকান্দি পৌরসভার দক্ষিণ সতানন্দীতে ড্রেন নির্মাণ কাজ, বাধায় থমকে আছে শেষ অংশ

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার, নিজস্ব সংবাদদাতা (দাউদকান্দি, কুমিল্লা) হোসাইন মোহাম্মদ দিদার, নিজস্ব সংবাদদাতা (দাউদকান্দি, কুমিল্লা) Clock বৃহস্পতিবার রাত ০৯:০২, ৭ মে, ২০২৬

দীর্ঘ ৬ বছর পর দাউদকান্দি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ সতানন্দী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্ন বাড়ির ময়লা পানি রাস্তায় জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে পথচারীদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলেও ভোগান্তি বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, পানি জমে থাকার কারণে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও গর্ত তৈরি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহন। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পর প্রায় ৬ বছরের চেষ্টায় বর্তমান পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলামের আন্তরিকতায় অবশেষে দক্ষিণ সতানন্দী এলাকায় ড্রেন নির্মাণ কাজের অনুমোদন আসে। এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর দেলোয়ার প্রধান।

পৌরসভার উদ্যোগে শুরু হওয়া ড্রেন নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি দায়িত্ব পান পৌর ঠিকাদার কবির হোসেন। তবে নির্মাণকাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হওয়ার পর বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাধার মুখে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, তার বাড়ির একটি অংশ ড্রেনের নির্ধারিত স্থানের মধ্যে পড়ায় তিনি কাজ করতে বাধা দেন।

বৃহস্পতিবার(৭ মে ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সমস্যার সমাধান ও ড্রেনের কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানাচ্ছেন। অনেকেই বলেন, জনস্বার্থে প্রয়োজনে প্রতিবন্ধক অংশ অপসারণ করে কাজ শেষ করা উচিত।

 

 

নারী পথচারী বাতাসি বেগম বলেন, “একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটা যায় না। ময়লা পানি জমে পুরো রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা নারী মানুষ, বাচ্চাদের নিয়ে চলাফেরা করতে খুব কষ্ট হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়ে। দ্রুত ড্রেনের কাজ শেষ হলে এলাকার মানুষ অনেক উপকার পাবে।”

 

 

ঠিকাদার কবির হোসেন বলেন, “আমরা কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু একটি জায়গায় বাধা দেওয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতা পেলে দ্রুত বাকি কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে বর্ষা মৌসুমের আগেই ড্রেন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা যায়।

 

 

স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর দেলোয়ার প্রধান বলেন, “দক্ষিণ সতানন্দী এলাকার মানুষ বছরের পর বছর দুর্ভোগে ছিল। আমি এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেছি। অবশেষে পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলাম মহোদয়ের সহযোগিতায় কাজ শুরু হয়েছে। এখন একটি অংশের বাধার কারণে পুরো এলাকার মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। দ্রুত বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”

 

ড্রেনের কাজে বাধা এবং জায়গা না দেওয়ার বিষয়ে বাচ্চু মিয়া বলেন, “আমি ড্রেনেজ কাজের জন্য রাস্তা দিব। তবে আমাকে দেড় মাস সময় দিতে হবে। আমার এটা বসতঘর। এমুহূর্তে ঘর ভাঙলে আমার থাকার সমস্যা হবে এবং ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে। এখন যে অংশটুকু ড্রেনের কাজ করতে ব্যহত হচ্ছে ; সেই অংশটুকুর কাজ আমি নিজ অর্থায়ন ও দায়িত্বে করে দিব।”




শেয়ার করুন


পাঠকের মতামত

মেঘনা নিউজ-এ যোগ দিন

Meghna Roktoseba




এক ক্লিকে জেনে নিন বিভাগীয় খবর



© মেঘনা নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by ShasTech-IT